নারায়ণগঞ্জ
দাবি না মানলে চামড়া সংগ্রহ বর্জনের হুঁশিয়ারি
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কড়া আলটিমেটাম দিয়েছেন জেলার কওমি মাদ্রাসার পরিচালকরা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে সম্মিলিতভাবে চামড়া সংগ্রহ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাক নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে শহরের আমলাপাড়া মাদ্রাসা মিলনায়তনে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রাসাগুলোর মুহতামিমদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কোরবানির চামড়া সংগ্রহ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়।
সভায় বেফাক নেতৃবৃন্দ জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাগুলোকে নিজ দায়িত্বে চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ এবং ঈদের দিন রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে চামড়াবাহী কোনো গাড়ি সাইনবোর্ড এলাকা পার হতে না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক ও চাপিয়ে দেওয়া’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। তারা বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে নারায়ণগঞ্জ জেলার কওমি মাদ্রাসাগুলো সম্মিলিতভাবে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম বর্জন করবে।
সভা থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—মাদ্রাসাগুলোকে লবণ দিতে বাধ্য না করা, সাইনবোর্ড বা ঢাকার প্রবেশমুখে চামড়াবাহী গাড়ি আটকে না দেওয়া, চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং চামড়া সংগ্রহে নিয়োজিত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বক্তারা বলেন, এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে জেলার সব কওমি মাদ্রাসা চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বেফাকের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মাদ্রাসার মুহতামিম ও দায়িত্বশীল আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হাজিপাড়া মাদ্রাসার মাওলানা আব্দুল আউয়াল, কাশীপুর মাদ্রাসার মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী, রূপগঞ্জ উলামা নগর মাদ্রাসার মাওলানা মুফিজুল ইসলাম, দেওভোগ মাদ্রাসার মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীসহ জেলার বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাক নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে শহরের আমলাপাড়া মাদ্রাসা মিলনায়তনে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রাসাগুলোর মুহতামিমদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কোরবানির চামড়া সংগ্রহ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হয়।
সভায় বেফাক নেতৃবৃন্দ জানান, সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাগুলোকে নিজ দায়িত্বে চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ এবং ঈদের দিন রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে চামড়াবাহী কোনো গাড়ি সাইনবোর্ড এলাকা পার হতে না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক ও চাপিয়ে দেওয়া’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। তারা বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে নারায়ণগঞ্জ জেলার কওমি মাদ্রাসাগুলো সম্মিলিতভাবে চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম বর্জন করবে।
সভা থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—মাদ্রাসাগুলোকে লবণ দিতে বাধ্য না করা, সাইনবোর্ড বা ঢাকার প্রবেশমুখে চামড়াবাহী গাড়ি আটকে না দেওয়া, চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং চামড়া সংগ্রহে নিয়োজিত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
বক্তারা বলেন, এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে জেলার সব কওমি মাদ্রাসা চামড়া সংগ্রহ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বেফাকের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে সভায় বিভিন্ন মাদ্রাসার মুহতামিম ও দায়িত্বশীল আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হাজিপাড়া মাদ্রাসার মাওলানা আব্দুল আউয়াল, কাশীপুর মাদ্রাসার মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী, রূপগঞ্জ উলামা নগর মাদ্রাসার মাওলানা মুফিজুল ইসলাম, দেওভোগ মাদ্রাসার মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমীসহ জেলার বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা।
লোড হচ্ছে...